# কোনো চাপ নয়, চাহিদার কারণে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং কেনা হচ্ছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

- Link: https://channelone.news/%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a7%8b-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%aa-%e0%a6%a8%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%a3/
- Published: ২০২৬-০৯-০১T১৭:২৮:৩৬+০৬:০০
- Author: জে আই জাহিদ

কোনো চাপ নয়, বরং অ্যাভিয়েশন খাতের চাহিদা অনুযায়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং
কেনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর)
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

![Advertisement](https://channelone.news/wp-content/uploads/2026/10/NAG_300X250.
png)

হুমায়ুন কবির বলেন, কোনো চাপের কারণে নয়, এটি আমাদের অ্যাভিয়েশন খাতের চাহিদা অনুযায়ী
করা হচ্ছে। বাংলাদেশে আমাদের প্রয়োজনীয় এয়ারক্রাফট ফ্লিট নেই। আমাদের ফ্লিট সক্ষমতা
বাড়াতে হবে। তা না হলে আমরা নতুন রুট চালু করতে পারব না এবং ব্যবসা হারাব।

তি‌নি ব‌লেন, তাই অ্যাভিয়েশন হাব হিসেবে রাজস্ব ও যাত্রী সংখ্যা বাড়াতে হলে দীর্ঘমেয়াদে
আমাদের এয়ারক্রাফট কিনতেই হবে। আমরা বাংলাদেশকে এশিয়ায় একটি অ্যাভিয়েশন হাব হিসেবে
গড়ে তুলতে চাই।

হুমায়ুন ক‌বির ব‌লেন, এ অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশদ্বার হতে হলে আমাদের আরও 
বেশি রুটে সেবা দিতে হবে। আর সেজন্য আমাদের একটি বড় এয়ারক্রাফট ফ্লিট প্রয়োজন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনি যদি ইথিওপিয়ান এয়ারলাইন্সের দিকে তাকান, কীভাবে তারা বৃদ্ধি
করেছে। তাদের বহরে ১৫০টিরও বেশি এয়ারক্রাফট রয়েছে। অথচ আমাদের কিন্তু আগামী ১০ থেকে
১৫ বছরে ৭০ থেকে ৮০টি বা তারও বেশি উড়োজাহাজের চাহিদা রয়েছে।

হুমায়ুন কবির বলেন, সেদিক থেকে চিন্তা করলে আমাদের বর্তমান চাহিদার সংখ্যাটি হয়তো
এত বেশি নয়, তবে আমাদের বোয়িং বা এয়ারবাস কিনতে হবে। আমাদের প্রয়োজন অনুযায়ী আমরা
নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমরা বোয়িং বিমান কিনব।

এই মুহূর্তে বোয়িং কেনার মতো অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাংলাদেশের আছে কিনা, এমন প্রশ্নে প্রতিমন্ত্রী
বলেন, আমরা আমাদের প্রয়োজন ও কেনার সক্ষমতা অনুযায়ী কেনাকাটা চালিয়ে যাব। বিষয়টি
খুবই স্পষ্ট—আমাদের অ্যাভিয়েশন খাতের চাহিদা পূরণ করতে হবে, যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে
হবে এবং বাংলাদেশকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও তার বাইরের রুটগুলোর একটি অ্যাভিয়েশন
হাব হিসেবে তৈরি করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো। আবার বেইজিংয়ের সঙ্গেও
ভালো সম্পর্ক রয়েছে। যেসব দেশের সঙ্গে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক রয়েছে, তার মধ্যে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী। তাদের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ
আরও বৃদ্ধি করা হবে।
